B.Ed 1st Semester Practicum Bengali || Course: 1.1.EPC1, Reading & Reflecting on Texts || Divide the class in small group and provide different kinds of tests and instruct them to read and reflect according to the nature of the text.

Introduction:

সাহিত্যপাঠ  হল দৈনন্দিন জীবনের একটি অভিন্ন অংশ।এই সাহিত্য পাঠের মাধ্যমে জীবনযুদ্ধের অনেক সমস্যার  স্থায়ী সমাধান সম্ভব। তাই সাহিত্য হল আমাদের সমাজের একটি আয়না। সমাজের বিভিন্ন চিত্র , বিভিন্ন সংস্কৃতি ও মানুষের কথা লেখকগণ কুশলতার সঙ্গে সাহিত্যের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন।

শিক্ষার্থী শিক্ষকরা এই প্র্যাক্তিকামের মধ্যদিয়ে নির্বাচিত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাহিত্যের বিভিন্ন সৃষ্টির সঙ্গে পরিচয় করাবেন এবং সহিত্য সম্পর্কে তাদের দৃষ্টিভঙ্গির তথ্য সংগ্রহ  করবেন। 

নির্বাচিত পাঠ্যাংশ পঠনের পর শিক্ষার্থীদের  চিন্তাভাবনা প্রকাশের যথেষ্ট সময় ও পরিবেশ দেবেন।এই Practicum টির দ্বারা সাহিত্য সম্পর্কিত বিভিন্ন ধারনা অনুধাবন করতে পারবেন এবং বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সাহিত্য সম্পর্কিত আনন্দ লাভে উৎসাহিত করবেন। 

Need of the Practicum:

(i) পাঠ্যের অন্তর্নিহিত অর্থ নির্ণয় করতে পারবে।

(ii) পঠনশৈলী সম্পর্কে অবহিত হবে। 

(iii) শিক্ষার্থীদের ভাষার দক্ষতা, কল্পনা শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। 

Stepwise Execution of the Practicum:

এই Practicum টি রূপায়ণের জন্য নীচের ধাপগুলি অনুসরণ করা হবে—

  1. Institutional Details:

এই Practicum টি সম্পাদনের জন্য অনুসন্ধানকারী নিকটবর্তী বিদ্যালয়কে নির্বাচন করেন এবং উক্ত বিদ্যালয়ে নির্বাচিত শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্র্যাক্টিকামটি সুসম্পূর্ণ করেন।

বিদ্যালয়ের নামঃ
ঠিকানাঃ  
প্রধান শিক্ষক/শিক্ষিকার নিকট অনুমতি গ্রহনের তারিখঃ
নির্বাচিত শ্রেণিঃ নবম
নির্বাচিত দল গঠনঃ ১ম দল (ক)

২য় দল (খ)

৩য় দল (গ)

অনুসন্ধানকারীর নামঃ 
কলেজ রোলঃ 
তথ্য সংগ্রহের তারিখঃ

 

  1. Data Collection:

নির্দিষ্ট দিনে প্রধান শিক্ষক মহাশয়ের অনুমতি নিয়ে ………………………উচ্চ বিদ্যালয়ের ”নবম শ্রেণির” নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নিকট হতে  তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। 

  1. Method of Data Collection:

উপকরণ হিসেবে নির্বাচিত প্রতিটি দলকে পাঠ্যবিষয় হিসেবে একটি করে রচনাংশ  দেওয়া হয়েছে। উক্ত রচনাংশটি ছোটোগল্প, নাটক, প্রবন্ধ বা কবিতা হতে পারে। প্রতিটি দলে ৫-১০ জন শিক্ষার্থী থাকবে। এই রকম মোট শিক্ষার্থী অনুযায়ী দল তৈরী করতে হবে। প্রতিটি দলকে পঠন ও নিজেস্ব চিন্তাভাবনা প্রকাশের জন্য ৩০+১৫=৪৫ মিনিট সময় দেওয়া হবে। তারপর প্রতিটি দলের নিকট থেকে পাঠ্যটির সংক্ষিপ্ত লিখিত বক্তব্যটি সংগ্রহ করতে হবে।   

(নিম্নে উদাহরণ হিসাবে তিনটি দল নির্বাচন করে সমগ্র প্রকল্পটি দেখানো হল।)

(ক) ১ম দলের নির্বাচিত পাঠ্য- বিদ্যার যাচাই, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 

(খ) ২য় দলের নির্বাচিত পাঠ্য- অসন্তোষের কারণ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

(গ) ৩য় দলের নির্বাচিত পাঠ্য – আশ্রমের শিক্ষা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

  1. Presentation of Collected Data:

নিম্নে সংগ্রহীত রচনাংশ এবং নির্বাচিত দল গুলির বিষয় সম্পর্কে নিজেস্ব চিন্তাভাবনা গুলি নিম্নে পর্যায়ক্রমে দেখানো হল- 

বিদ্যালয়ের নামঃ …………..………………………………………………………………………….………শ্রেনীঃ………………………………………………………………………………………………………………

শ্রেনীর মোট শিক্ষার্থী সংখ্যাঃ…….…………………………………………………………………………..

নির্মিত দলের সংখ্যাঃ ………………………………………………………………………..………………..

পাঠ্য বিষয় পঠনের জন্য সময়ঃ

১ম দল – ৩০ মিনিট 

২য় দল – ৩০ মিনিট

৩য় দল – ৩০ মিনিট 

পাঠ্যে প্রতিফলিত বিষয়বস্তু লিপিবদ্ধকরনের সময়ঃ

১ম দল – ১৫ মিনিট 

২য় দল – ১৫ মিনিট

৩য় দল – ১৫ মিনিট

(ক)  ১ম দলের জন্য নির্বাচিত পাঠ্যের মূল অংশ:

“বিদ্যার যাচাই”  -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 

আমার মনে আছে, বালককালে একজনকে জানিতাম তিনি ইংরেজিতে পরম পণ্ডিত ছিলেন, বাংলাদেশে তিনি ইংরেজি শিক্ষার প্রথম যুগের শেষভাগের ছাত্র। ডিরোজিয়ো প্রভৃতি শিক্ষকদের কাছে তিনি পাঠ লইয়াছিলেন। তিনি জানি না কী মনে করিয়া কিছুদিন আমাদিগকে ইংরেজি সাহিত্য সম্বন্যে উপদেশ দিতে ইচ্ছা করিলেন। ইংরেজ কবিদের সম্বন্ধে তিনি মনে একটা শ্রেণিবিভাগ করা ফর্ম লটকাইয়া রাখিয়াছিলেন। তার মধ্যে পয়লা দোসরা এবং তেসরা নম্বর পর্যন্ত সমস্ত পাকাপাকি ঠিক করা ছিল।

সেই ফর্ম তিনি আমাদিগকে লিখিয়া দিয়া মুগ্ধ করিতে বলিলেন। তখন আমাদের যেটুকু- ইংরেজি জানা ছিল তাহাতে পয়লা নম্বর দূরে থাক তেসরা নম্বরেরও কাছ ঘেঁষিতে পারি এমন শক্তি আমাদের ছিল না। তথাপি ইংরেজ করিদের সম্বন্ধে বাধা বিচারটা আগে হইতেই আমাদের আগত করিয়া দেওয়াতে দোষ ছিল না। কেননা, রুচিরসনা দিয়া রসবিচার ইংরেজি কাব্য সম্বন্ধে আমাদের পক্ষে প্রশস্ত নহে।

যেহেতু আমাদিগকে চাখিয়া নহে কিন্তু গিলিয়া খাইতে হইবে, কাজেই কোন্‌টা মিষ্ট কোন্‌টা অম্ল সেটা নোটবুকে লেখা না থাকিলে ভুল করার আশঙ্কা আছে। ইহার ফল কী হইয়াছে বলি। আমাদের শিশু বয়সে দেখিতাম, কবি বায়রন সম্বন্যে আমাদের দেশের ইংরেজি-পোড়োদের মনে অসীম ভক্তি ছিল। আধুনিক পোড়োদের মনে সে ভক্তি আদবেই নাই। অল্প কিছুদিন আগেই আমাদের যুবকেরা টেনিসনের নাম শুনিলেই যেরূপ রোমাণিত হইতেন এখন আর সেরূপ হন না। উক্ত কবিদের সম্বন্ধে ইংল্যান্ডে কাব্যবিচারকদের রায় অল্পবিস্তর বদল হইয়া গিয়াছে, ইহা জানা কথা। সেই বদল হইবার স্বাভাবিক কারণ সেখানকার মনের গতি ও সামাজিক গতির মধ্যেই আছে। কিন্তু, সে কারণ তো আমাদের মধ্যে নাই। অথচ তাহার ফলটা ঠিক ঠিক মিলিতেছে। আদালতটাই আমাদের এখানে নাই, কাজেই বিদেশের বিচারের নকল আনাইয়া আমাদিগকে বড়ো সাবধানে কাজ চালাইতে হয়।(সংক্ষিপ্ত)

পাঠ্যে প্রতিফলিত বিষয়বস্তুর বর্ণনা (১ম দল):

পাঠ্যবিষয় কথনমূলক (Narrative) ও তথ্যনির্ভর (expositing)। বস্তা এখানে ইংরেজি শিক্ষার বা ইংরেজি ভার বহনের কুফল বর্ণনা করেছেন। ইংরেজি শিক্ষা এদেশে শুধুমাত্র মাথায় ভার বাড়িয়ে চলেছে, মানুষ তৈরিতে সফল নয়। ভাষা গ্রহণে সাবলীল হলেও নিজস্বতাকে বর্জনে যে ক্ষতি গ্রাহকের সেকথা বক্তা সুস্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

 (খ) ২য় দলের জন্য নির্বাচিত পাঠ্যের মূল অংশ

“অসন্তোষের কারণ”-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভারতবর্ষের নানা স্থানেই নুতন নুতন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের চেষ্টা চলিতেছে। ইহাতে বুঝা যায়, শিক্ষা সম্বন্ধে আমাদের মনে একটা অসন্তোষ জন্মিয়াছে। কেন সেই অসন্তোষ। দুইটি কারণ আছে; একটা বাহিরের একটা ভিতরের।

সকলেই জানেন, আমাদের দেশে ইংরেজি শিক্ষার যখন প্রথম পত্তন হইয়াছিল তখন তাহার লক্ষ্য ছিল এই যে, ব্রিটিশ ভারতের রাজ্যশাসন ও বাণিজ্যচালনের জন্য ইংরেজি জানা দেশি কর্মচারী গড়িয়া তোলা। অনেকদিন হইতেই সেই গড়নের কাজ চলিতেছে। যতকাল ছাত্রসংখ্যা অল্প ছিল ততকাল প্রয়োজনের সঙ্গে আয়োজনের সামঞ্জস্য ছিল; কাজেই সে দিক হইতে কোনো পক্ষে অসন্তোষের কোনো কারণ ঘটে নাই।যখন হইতে ছাত্রের পরিমাণ অত্যন্ত বাড়িয়া উঠিয়াছে তখন। হইতেই এই শিক্ষাব্যবস্থার একটা প্রধান উদ্দেশ্য অধিকাংশ ছাত্রেরই পক্ষে ব্যর্থ হইতেছে। যদি আমাদের দেশের শিক্ষায় ছাত্রদিগকে চাকরি ছাড়া অন্যান্য জীবিকার সংস্থানে পটু করিয়া তুলিত তাহা হইলে এই সম্বন্যে নালিশের কথা থাকিত না। কিন্তু পটু না করিয়া সর্বপ্রকারে অপটুই করিতেছে এ আমরা নিজের প্রতি তাকাইলে বুঝিতে পারি।

এই তো গেল বাহিরের দিকের নালিশ। ভিতরের দিকের নালিশ এই যে এত কাল ধরিয়া ইংরেজের স্কুলে পড়িতেছি, কিন্তু ছাত্রদশা তো কোনোমতেই ঘুচিল না। বিদ্যা বাহির হইতেই কেবল জমা করিলাম, ভিতর হইতে কিছু তো দিলাম না। কলশে কেবলই জল ভরিতে থাকিব, অথচ সে জল কোনোদিনই যথেষ্ট পরিমাণে দান-পানের উপযোগী ভরা হইবে না, এ যে বিষম বিপত্তি। ভয়ে ভয়ে ইংরেজের ডাক্তার ছাত্র পুঁথি মিলাইয়া ডাক্তারি করিয়া চলিল, কিন্তু শারীরবিদ্যায় বা চিকিৎসাশাস্তে একটা কোনো নুতন তত্ত্ব বা তথ্য যোগ করিল না।

ইংরেজের ইঞ্জিনিয়ার হার সতর্কতার সহিত পুঁথি মিলধি।। এশিনিয়ারিং করিয়া পেনসন লইতেছে, কিন্তু যন্ত্রতত্ত্বে বা যন্ত্র উদ্ভাবনায় মনে রাখিবার মতো কিছুই করিতেছে না। শিক্ষার এই শক্তিহীনতা আমরা স্পষ্টই বুঝিতেছি। আমাদের শিক্ষাকে আমাদের বাহন করিলাম না। শিক্ষাকে আমরা বৃহ চলিলাম। ইহারই পরম দুঃখ গোচরে অগোচরে আমাদের মনের মধ্যে জমিয়া উঠিতেছে।

অথচ বুদ্ধির এই কৃশতা নির্জীবতা যে আমাদের প্রকৃতিগত নয় তার বর্তমান প্রমাণ শ শীল।আমাদের শিক্ষার একান্তদীনতা ও পরবশতা সত্ত্বেও ইহাদের বুদ্ধি ও বিদ্যা বিশ্বজ্ঞানের মহাকাশে মাথা তুল পাঁড়াইয়াছে। আর অতীতকালের একটা মস্ত প্রমাণ এই যে, আমাদের প্রাচীন চিকিৎসাশাস্ত্র নানা শাখায় প্রশাখায়, নানা পরীক্ষায় ও উদ্ভাবনায় বিচিত্র বৃহৎ ও প্রাণবান হইয়া উঠিয়াছিল। কিন্তু পরের ইস্কুলে শেখা চিকিৎসাবিদ্যায় আজ আমাদের এত ক্ষীণতা ও ভীরুতা কেন! (সংক্ষিপ্ত)

পাঠ্যে প্রতিফলিত বিষয়বস্তুর বর্ণনা (২য় দল);

পাঠাটি কথনমূলক ও অবশ্যই পর্যবেক্ষণ মূলক বক্তা ভারতবর্ষে ইংরেজি শিক্ষায় জনগণের ক্ষোভের কারণকে প্রয়োগ করেছেন। কারণসমূহকে দুইভাগে ভাগ করেছেন বাইরের ও ভিতরের। বাইরের কারণে ইংরেজ সরকারের উদ্দেশ্য বর্ণিত হয়েছে ও ভিতরের কারণে ছাত্রকূলের অনর্থক ভারবহনকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় যে ব্যর্থতার কারণ, সেটি সঠিকভাবে বর্ণিত হয়েছে।

(গ) ৩য় দলের জন্য নির্বাচিত পাঠ্যের মূল অংশ

“আশ্রমের শিক্ষা”-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

প্রাচীন ভারতের তপোবন জিনিসটার ঠিক বাস্তব রূপ কী তার ঐতিহাসিক ধারণা আজ সহজ নয়। তপোবনের যে প্রতিরূপ প্রার্থীভাবে আঁকা পড়েছে ভারতের চিত্তে ও সাহিত্যে সে হচ্ছে একটি কল্যাণময় কল্পমূর্তি, বিলাস-মোহমুক্ত প্রাণবান আনন্দের মূর্তি। আধুনিককালে জন্মেছি। কিন্তু এই ছবি রয়ে গেছে আমারও মনে। বর্তমান যুগের বিদ্যায়তনে ভাবলোকের সেই তপোবনকে।

রূপলোকে প্রকাশ করবার জন্যে একদা কিছুকাল ধরে আমার মনে আগ্রহ জেগেছিল। দেখেছি মনে মনে তপোবনের কেন্দ্রস্থলে গুরুকে। তিনি যন্ত্র নন, তিনি মানু নিষ্ক্রিয়ভাবে মানুষ নন, সক্রিয়ভাবে, কেননা মনুষ্যত্বের লক্ষ্য সাধনেই তিনি প্রবৃত্ত। এই তপস্যার গতিমান ধারায় শিষোর চিত্তকে গতিশীল করে তোলা তার আপন সাধনারই অঙ্গ। শিষ্যের জীবন প্রেরণা পায় তার অব্যবহিত সলঙ্গ থেকে। নিত্যজাগরুক মানবচিত্তের এই সা জিনিসটি আশ্রমের শিক্ষার সবচেয়ে মূল্যবান উপাদান। তার সেই মূলা অধ্যাপনার বিষয়ে নয়, উপকরণে নয়, পদ্ধতিতে নয়। গুরুর মন প্রতি মুহূর্তে আপনাকে পাচ্ছে বলেই আপনাকে দিচ্ছে। পাওয়ার আনন্দ সপ্রমাণ করছে নিজের সত্যতা দেওয়ার আনন্দেই।

একদা একজন জাপানি ভদ্রলোকের বাড়িতে ছিলাম, বাগানের কাজে ছিল তাঁর বিশেষ। তিনি বৌদ্ধ, মৈত্রীর সাধক। তিনি বলতেন, ‘আমি ভালোবাসি গাছপালা। তরুলতায় সেই ভালোবাসার শক্তি প্রবেশ করে, ওদের ফুলে ফলে জাগে সেই ভালোবাসারই প্রতিক্রিয়া। বলা বাহুল্য, মানবচিত্তের মালির সম্বন্ধে এ কথা সম্পূর্ণ সত্য। মনের সঙ্গে মন যথার্থভাবে মিলতে থাকলে আপনি জাগে খুশি। সেই খুশি সৃজনশক্তিশীল। আশ্রমের শিক্ষাদান এই খুশির দান। যাদের মনে কর্তব্যবোধ আছে কিন্তু সেই খুশি নেই, তাদের দোসরা পথ। গুরুশিয্যের মধ্যে পরস্পরসাপেক্ষ সহজ সম্বন্ধতেই আমি বিদ্যাদানের প্রধান। মধ্যস্থ বলে জেনেছি। 

আরও একটি কথা মনে ছিল। যে গুরুর অন্তরে ছেলেমানুষটি একেবারে শুকিয়ে কাঠ হয়েছে তিনি ছেলেদের ভার নেবার অযোগ্য। উভয়ের মধ্যে শুধু সামীপ্য নয়, আন্তরিক সাযুজ্য ও সাদৃশ্য থাকা চাই, নইলে দেনা-পাওনায় নাড়ির যোগ থাকে না। নদীর সঙ্গে যদি প্রকৃত শিক্ষকের তুলনা করি তবে বলব, কেবল ডাইনে বাঁয়ে কতকগুলো বুড়ো বুড়ো উপনদীর যোগেই নদী পূর্ণ নয়। তার আদি ঝরনার ধারাটি মোটা মোটা পাথরগুলোর মধ্যে হারিয়ে যায়নি। যিনি জাত-শিক্ষক ছেলেদের ডাক শুনলেই তাঁর ভিতরকার আদিম ছেলেটা আপনি বেরিয়ে আসে। মোটা গলার ভিতর থেকে উচ্ছ্বসিত হয় প্রাণে ভরা কাঁচা হাসি। ছেলেরা যদি কোনো দিক থেকেই তাঁকে স্বশ্রেণিয় জীব বলে চিনতে না পারে, যদি মনে করে লোকটা যেন একটা প্রাগৈতিহাসিক মহাকায় প্রাণী’, তবে নির্ভয়ে তার কাছে হাত বাড়াতেই পারবে না। সাধারণত আমাদের গুরুরা সর্বদা নিজের প্রবীণতা অর্থাৎ নবীনের কাছ থেকে দূরবর্তিতা সপ্রমাণ করতে ব্যগ্র; প্রায়ই ওটা সস্তায় কর্তৃত্ব করবার প্রলোভনে। ছেলেদের পাড়ার চোপদার না নিয়ে এগোলে পাছে সম্ভ্রম নষ্ট হয় এই ভয়ে তারা সতর্ক। তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে ধ্বনি উঠছে ‘চুপ চুপীঃ তাই পাকা শাখায় কচি শাখায় ফুল ফোটাবার ফল ফলাবার মর্মগত সহযোগ রুদ্ধ হয়ে থাকে।(সংক্ষিপ্ত) 

পাঠ্যে প্রতিফলিত বিষয়বস্তুর বর্ণনা (৩য় দল):

‘আশ্রমের শিক্ষা’ প্রবন্ধটি কথনমূলক, তথ্যনির্ভর; ব্যঞ্জনাপূর্ণ। বক্তা এক্ষেত্রে শিক্ষার প্রভূত রূপটি সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেছেন। আশ্রমকালীন শিক্ষার ধরন, প্রকৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছেন। শিক্ষকের চরিত্র বর্ণনের দ্বারা একজন আদর্শ শিক্ষকের গুণাবলি বর্ণনা করেছেন। ছাত্রকূলের নীতি বা কার্যসাধনের উপায় সুষ্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।

  1. Analysis and Interpretation of Data:

এই অংশে প্রতিটি দলের লিখিত বক্তব্য কতটা বিষয়বস্তু নির্ভরযোগ্য, কতটা অন্তর্নিহিত ভাবকে ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম তা নিম্নে ব্যাখ্যা করা হল- 

১ম দলের লিখিত রূপের ব্যাখ্যা:

সমস্ত শিক্ষার্থী মনোযোগ সহকারে কার্যটি সম্পাদন করেছে।লিখিত অংশটি যথোপযুক্ত ভাবে পাঠ্যের প্রকৃতি নিরূপণে সক্ষম।বুদ্ধিদীপ্ত বিচার সক্রিয় স্পষ্ট ছাপ পরিলক্ষিত হয়েছে।

২য় দলের লিখিত রূপের ব্যাখ্যা:

সকল শিক্ষার্থী মনোযোগের চেষ্টা করলেও কিছু শিক্ষার্থী অমনোযোগী ছিল।লিখিত অংশটি স্পষ্টভাবে পাঠ্যের প্রকৃতি নিরূপণে সক্ষম।লিখিত অংশটি বিস্তারিত হওয়ার প্রয়োজন ছিল।

৩য় দলের লিখিত রূপের ব্যাখ্যা:

উভয় দলের ন্যায় লিখিত অংশটি পাঠোর প্রকৃতির অনুরূপ।যায় সময় অতিক্রান্ত হলেও লিখিত রূপটি যুক্তিগ্রাহ্য।

  1. Inferences:

শ্রেণির সকল ছাত্রছাত্রীদের ভাষার প্রতি দক্ষতা বর্তমান।সকল ছাত্র অনুভূতি সম্পন্ন।

  1. Limitations:

এই ক্ষেত্রে প্র্যাকটিকামটির সীমাবদ্ধতার দিকগুলি তুলে ধরা হল- 

(i) কেবল বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয়ে কার্যটি হয়েছে।

(ii) কেবল একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে।

(iii) কেবলমাত্র প্রবন্ধের অন্তর্নিহিত ভাব প্রকাশের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

Conclusion:

উপরি উক্ত কার্যটি সম্পাদনের দ্বারা শিক্ষার্থীবৃন্দ কোনো পাঠোর মূল ভাবকে প্রকাশ করতে শিখবে তাছাড়া সমস্ত শিক্ষার্থী মনোযোগ সহকারে কার্যটি সম্পাদন করেছে।লিখিত অংশটি যথোপযুক্ত ভাবে পাঠ্যের প্রকৃতি নিরূপণে সক্ষম।বুদ্ধিদীপ্ত বিচার সক্রিয় স্পষ্ট ছাপ পরিলক্ষিত হয়েছে।এই প্র্যাক্টিকাম টি সফল ভাবে রূপায়নের মাধ্যমে শিক্ষক শিক্ষার্থী হিসাবে অনেক কিছু অভিজ্ঞতা ও শিক্ষনের বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে জানতে পেরেছি।

Reference:

১। শর্মা সন্দীপ, পাঠ্যপুস্তকঃ পঠন ও প্রতিফলন, আহেলি পাবলিশার্স, কোলকাতা।

২। সান্যাল শ্রাবণী, পঠন এবং পাঠের প্রতিফলনের রূপরেখা, রীতা পাবলিকেশন।

৩। ইন্টারনেট।

DAS Coaching PDF Download

*****

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending Posts
-February 23, 2024
-February 22, 2024
Author

Soumen Das

I am SOUMEN DAS, founder of DAS COACHING. I have been associated with this DAS COACHING online educational platform for 4 years. I am a blogger, YouTuber and teacher. I have been involved in teaching profession for 8 years.

Follow Me

Top Picks
Newsletter
Categories
Edit Template

DAS COACHING is the most trustworthy Learning Site in India and West Bengal. Learn with Us and Buy Our E-Books

© DAS Coaching 2024

Design by Krishanu Chakraborty

Contacts

error: Content is protected !!
×

Hello!

Click one of our contacts below to chat on WhatsApp

× How can I help you?